Introduction

History of Foundation

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্সফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত রেজিঃ নং-এস-৩৮১৯(৬০৮)২০০৪ “ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম
রিপোটার্সফাউন্ডেশন” একটি মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিক সংগঠন। অত্র সংগঠনের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো “আমি নিজে অপরাধ করব না ও অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়ে মানবাধিকার
প্রতিষ্ঠা করব’। মানবাধিকার লংঘন হয় ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে। সংগঠনের পর্যালোচনায় “ঘুষই অপরাধের জনক” এই ব্যক্যটি অত্র সংগঠনের আদর্শ কার্যক্রমের মধ্যে প্রতিপাদ্য বটে।২০০৩ইং
সালের ৭ই জুলাই মাত্র ৭ জন সদস্যের সমন্বয়ে অত্র সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। অতপর সংগঠনের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করে দেশের আইন বাস্তবায়ন সহ বাংলাদেশের সংবিধানের উপর আস্থা রেখে
কাজ করে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সংবিধান ও আইন রক্ষাকবজ হিসাবে অক্ষরে অক্ষরে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এই সংগঠনের মাধ্যমে বন্যা দূর্গতদের মাঝে বস্ত্র দান করেছি। শত শত আসহায় মানুষদের আইনী সহায়তা প্রদান করেছি। সামাজিক বন্ধন দৃঢ় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শত শত দম্পত্তিদের
যৌতুকের কারণেবিবাহ বিচ্ছেদ থেকে বিরত করার জন্য পারামর্শপ্রদান করে সফল হয়েছি। যৌতুক শাস্তিমূলক অপরাধ মর্মে প্রচার পচোরণা করেছি এবং অনেকাংশে সফল হয়েছি। ভ.মি
দস্যূদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের রক্ষা করার জন্য আইন প্রয়োগকারীদের সহায়তায় বিশেষ ভূমিকা রেখে সফল হয়েছি। মাদকের কড়াল গ্রাস হতে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নিয়েছি। এসব কাজ করতে কোন প্রকার সরকারী বা বেসরকারী সাহায্য কিংবা অনুদান গ্রহণ করা হই নাই। দান ক্ষয়রাত করে মানবাধিকার বাস্তবায়ন করা যায় না। আর মানবাধিকার
বাস্তবায়নের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত আইনকানুনই ১০০% ভুমিকা রাখে। কতক দুনীতি গ্রস্থ এনজিও নিজেদের স্বার্থে হাসিলের জন্য মরণ নেশা হিরোইন, ইয়াবা সহ বিভিন্ন
রকম নেশা দ্রব্য যুব সমাজের হাতে তুলে দিতে দ্বিধাবোধ করছে না। মানবাধিকার কাজের নামে ও সকল অমানবিক কার্যক্রম সরকার প্রতিহত করবেন বলে প্রত্যাশা করছি। বাংলাদেশের
নাগরিকদের পাহাড়ি বাঙ্গালীতে বিভক্ত করে কতক দুনীতিগ্রস্থ এন.জি.ও কর্মীরা ব্যক্তব্য দিচ্ছে। যদি এন.জি.ও কর্মীরা বলেন আমরা সকলেই বাংলাদেশী, সবার জন্য আইন সমান সবার জন্য
অধিকার সমান তবে পাহাড়ি বাঙ্গালী ভেদাভেদ দূর হয়ে সকলেই বাংলাদেশী হয়ে যেত। এই দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হউক, এই কামনা বাসনা করা সকলের কর্তব্য।
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশন অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। আমরা মানবাধিকার কর্মী, আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আইন বাস্তবায়নের সহায়ক
সংগঠন। মানবাধিকার লংঘন জনিত ঘটনা সরকারকে অবহিত করি, সেটা সরাসরি অথবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া,চিঠি, মোবাইল, ফোন, ফ্যাক্স কিংবা ই-মেইল এর মাধ্যমে। তাই
আমরা গণমাধ্যমে। অত্র সংগঠন ১৫ বছরে প্রায় ২৩ হাজার কর্মী আমার আছে এই মর্মে শপথ করেছেন যে, আমরা অপরাধ করব না এবং অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়ে স্বেচ্ছায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা কবর। আর কিছু না হলেও ২৩ হাজার কর্মী অপরাধ থেকে বিরত আছে। হলফ করার পরও যদি কোন সদস্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়লে আমরাই তাকে আইনের হাতে
তুলে দিয়ে দুষ্টান্ত স্থাপন করেছি। সংগঠনের উদ্দেস্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সৎ মানুষ সৃষ্টি করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সকল মহানগর,বিভাগ, জেলা, থানা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন
করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার কাজ অব্যাহত আছে। মানবাধিকার কি? মানবাধিকার সম্বন্ধে এক কথায় বলতে গেলে
বলতে হয়, “মানুষের বৈধ প্রয়োজন, যা রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা স্বীকৃত বা সমর্থিত, তা-ই মানবাধিকার।
পৃথিবীর মধ্যে সর্বপ্রথম মানবাধিকার সংগঠনের নাম হিলফুল ফুজুল। সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহা-মানব হযরত মুহাম্মদ (সঃ)হিলফুল ফুজুল নামে একটি সংগঠন তৈরী করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার
দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন। জনগণ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেন এবং জনপ্রতিনিধি দেশ পরিচালনায় ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সময়
উপযোগী আইন পরিবর্তন করে জনগণকে সেবা প্রদান করে। আইনের বহির্ভুক্ত কাজই মানবাধিকারলংঘন। আমরা মানবাধিকার কর্মী। আমরা আইন হাতে তুলে নিতে পারি না বা নেই না। তবে
সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহ সকলের কাজের জরিপ করি আমরা রেফারির ভ,মিকায়। ভাল কাজের জন্য প্রশংসা মানবাধিকার সংঘন জনিত কাজের জন্য সরকারের উর্ধ্বতন মহল কিংবা
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করি,সাথে সাথে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করি। যদি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের দেওয়া তথ্য অবহেলার সাথে দেখে তবে দেশে মানবাধিকার অহরহ লংঘন হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।
তাই আমাদের তথ্য বা সংবাদ সরকার অবশ্যই গুরুত্বের সাথে দেখবেন বলে প্রত্যাশা করি। আমরা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী জঙ্গী, মাদব ব্যবসায়ী, দূনীতিবাজদের ন্যায় বিচার
প্রতাশা করছি। দেশের মানুষের নিরাপত্তার অভাব। গুম,জঙ্গী, বিচারবর্হিভ,ত হত্যার কারণ উদঘাটন না হলে এবং আইন ও বিচার নিজস্ব গতিতে না চললে, সেই দেশের প্রতি কারো বিশ^াস থাকে
না। বন্ধ হয়ে যায় লেনদেন ব্যবসবা-বাণিজ্য ও মানবিক সাহায্য। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আমার, আপনার সকলের। এই পরণতি থেকে উত্তরণের উপায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা
ওসংবিদানের উপর পূর্ণ আস্থা রেখে পরিপূর্ণভাবে আইন শাসন বাস্তবায়ন করা। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এর চিন্তা চেতনার ফল “ঘুষ-ই
অপরাধের জনক”। ঘুষ মানুষকে দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করে কলংকময় অধ্যায় সৃষ্টি করে। লঙ্ঘিত হয় মানবাধিকার। আইনের পরিপন্থি কাজই মানবাধিকার লংঘন। আইনের চোখে সকল
নাগরিকই সমান। নিজে ভাল না হলে অপরকে ভাল করার কোন সুযোগ থাকে না। তাই সকল সদস্যকে এই মর্মেশপথ করানো হয় যে, আমি নিজে অপরাধ করব না ও অপরাধীদের আইনের হাতে
তুলেদিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করব” বাংলাদেশ ও বাঙালী জাতির মান উন্নয়নে চিরন্তন সত্য বিকাশে আমরা মানবাধিকার কর্মীরাই পথ প্রদর্শক। মানব সভ্যতার জন্ম লগ্ন থেকেই অপরাধ ও
অপরাধী আর্বিভাব হয়েছে।নিজ নিজ ধর্ম, জাতীয়তাবাদ, সেক্স অবশ্যই আবেগ জনিত বিষয়। আবেগ জনিত অপরাধের অপরাধীদের প্রচলিত আইনে কারাদন্ড এমনকি মৃত্যুদন্ড দিয়েও অপরাধ
নির্মূল করা সম্ভব নয়। জ্ঞান, নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন প্রয়োজন।
তাহা ছাড়া সকল প্রকার অপরাধে অপরাধীদের অপরাধ থেকে চিরতরে ফিরানোর জন্য জ্ঞান, নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন সময় উপযোগী মহৌষধ। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম
রিপোটার্স ফাউন্ডেশন সমাজ ও রাষ্ট্রীয় আপরাধীদের সুপথে আনর জন্য আদর্শের বাণী রাষ্ট্রীয় আইনের কঠোর শাস্তি কথা সমন্বয় করে অপরাধের মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে কাজ করে
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভ,মিকা রাখছে। ধর্ম অপব্যবহারকারী জঙ্গিবাদ যাহাতে সমাজকে বিপদগামী করতে না পারে, তৎমর্মে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ভ.মিকা রেখে
মানবাধিকার উন্নয়নে নিরব বিপ্লব সৃষ্টি করবে। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশনের প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ভ,মিকা রেখে মানবাধিকার উন্নয়নে নিরব বিপ্লব
সৃষ্টি করবে। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশনের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংগঠনিক ধারাগুলি বাস্তবায়ন হলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কোন বাধাঁর কথা নয়। সাংগঠনিক
ধারা মধ্যে যে ধারা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের প্রতিবন্ধকতা করবে উক্ত ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে।

 

Rules

সাংগঠনিক ধারা

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংগঠনিক ধারা নিম্নরূপ:

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটর্স ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশনের কর্তৃক প্রদত্ব সাংগঠনিক ধারার মধ্যে আইনের পরিস্থিতি হলে
সেই ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে। নিম্ন লিখিত ধারা বাস্তবায়িত না হলেই মানবাধিকার অহরহ লঙ্গন হে
অপরাধ প্রতিরোধ ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিক সংস্থা: মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিম্ন ধারাগুলি সর্বক্ষেত্রে স্বীকৃত।
ধারা-১:
বন্ধুহীন অবস্থায় এবং সম-মর্যাদা ও অধিকারাদি নিয়ে সকল মানুষই জন্মগ্রহণ করে।বৃদ্ধি ও বিবেক তাদের অর্পন করা হয়েছে
এবং ভ্রাতৃত্বসূলভ মনোভাব দিয়ে তাদের একে অন্যের প্রতি আচরণ করা উচিত।
ধারা-২
যে কোন প্রকার পার্থক্য যথাঃ-জাতি, গোত্র, বর্ণ নারী-পুরুষ, ভাষা, ধর্ম,রাজনৈতিক বা অন্য মতবাদ, জাতীয় বা সামাজিক
উৎপত্তি, সম্পত্তি, জন্ম বা অন্য মর্যাদা নির্বিশেষে প্রত্যেকেই ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত সকল অধিকার স্বাধিকার স্বত্ববান। অধিকন্তু
কোন ব্যক্তি যে দেশ বা অঞ্চলের অধিবাসী, তা স্বাধীন, অধিভুক্ত এলাকা, স্বায়ত্তশাষিত অথবা অন্য যে কোন প্রকার সীমিত
সার্বভৌমত্বর মধ্যে থাকুক না কেন, তার রাজনৈতিক সীমানাগত ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোন পার্থক্য করা চলবে না।
ধারা-৩:
প্রত্যেকেরই জীবন ধারণ, স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তা অধিকার রয়েছে।
ধারা-৪
কাউকে দাস হিসেবে বা দাসত্বে রাখা চরবে না,সকল প্রকার দাস প্রথা বা দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ থাকবে।
ধারা-৫:
কাউকে নির্যাতন অথবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক অথবা অবমাননাকর আচরণ অথবা শাস্তি ভোগে
ধারা-৬
আইনের স্বপক্ষে প্রত্যেকেরই সর্বত্র ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি লাভের অধিকার রয়েছে।
ধারা-৭
আইনের কাছে সকলেই সমান এবং কোনরূপ বৈষম্য ব্যতিরেকে সকলেরই আইনের দ্বারা সমভাগ রক্ষিত হওয়ার অধিকার
রয়েছে। এই ঘোষনাপত্র লংঘণকারি কোনরূপ বৈষম্য বা এই ধরনের বৈষম্যের কোন উষ্কানির বিরুদ্ধে সমভাবে রক্ষিত হওয়ার
অধিকার সকলেরই রয়েছে।
ধারা-৮
যে কার্যাদির ফলেশাসনতন্ত্র বা আইন কর্তৃক প্রদত্ত মৌল অধিকারসমূহ লঙ্ঘিত হয় সে সবের উপযুক্ত জাতীয় বিচার আদালতের
মারফাত কার্যকর প্রতিকার লাভের অধিকার প্রতেকেরই রয়েছে।
ধারা-৯
কাউকে খেয়াল খুশিমত গ্রেফতার, আটক অথবা নির্বাসন করা যাবে না।
ধাবা-১০
প্রত্যেকেরই তার অধিকার ও দায়িত্বসমূহ এবং তার বিরুদ্ধে আনীত যে কোন ফৌজদারি অভিযোগ নিরূপনের জন্য পূর্ণ সমতার
ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও রিপেক্ষ বিচার আদারতে ন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্যে শুনানি লাভের অধিকার রয়েছে।
ধারা-১১:
ক. যে কেউ কোন দন্ডযোগ্য অপরাধ অভিযুক্ত হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, এমনকি গণআদালত
কর্তৃক আইন অনুযায়ী দোষী সাবস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে বিবেচিত হওয়ার অধিকার রয়েছে
ধারা-১২
কাউকে তার ব্যক্তিগত গোপনিয়তা, পরিবার, বসতবাড়ি বা চিঠিপত্রের ব্যাপারে খেয়াল খুশিমত হস্ত সম্মান সুনামের
চলবে না।
ক রাষ্ট্রের ও বসতি স্থাপনের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে।
ক. নির্যাতন এড়ানোর জন্য প্রত্যেকেরই অপর দেশসমূহে আশ্রয় প্রার্থনা ও ভোগ করার অধিকার রয়েছে।
অরাজনৈতিক অপরাধসমূহ অথবা জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও মূল নীতিবিরোধী নাও যেতে পারে।
ধারা-১৫:
ক. প্রত্যেকেরই একটি জাতীয়তার অধিকার রয়েছে।
না।
কাউকে যথেষ্টভাবে তার জাতীয়তার থেকে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার জাতীয়তা পরিবর্তন অধিকার অস্বীকার করা চলবে
ধারা-১৬
ক.পূর্ণ বয়স্ক ও নারীদের জাতিগত, জাতীয়তা অথবা ধর্মের কারণেকোন সীমাবদ্ধতা ব্যতিরেকে বিবাহ করাও পরিবার গঠনের
অধিকার রয়েছে। বিবাহের ব্যাপারে বিবাহিত অবস্থা বিচ্ছেদকালে তাদের সমধিকার রয়েছে।
খ.কেবল বিবাহ ইচ্ছুক পাত্র-পাত্রীর অথবা পূর্ণসম্মতির দ্বারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে।
পরিবারে হচ্ছে সমাজের স্বাভাবিক ও মৌলিক একক গোষ্ঠী, সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক সংরক্ষিত হওয়ার অধিকার এর রয়েছে।
ঘ.পুরুষরা পুরুষস্বত্ত উন্নয়ন ও নারীরা নারীস্বত্ত উন্নয়নের দ্বারা উন্মুক্ত করা।
রা-১৭
ক. প্রত্যেকেরই একাকী এবং অপরের সহযোগীতায় সম্পত্তির মালিক হওয়ার অধিকার রয়েছে।
খ.কাউকে তার সম্পত্তি থেকে খেয়াল খুশিমত বঞ্চিত করা চলবে না।
ধারা-১৮:
প্রত্যেকেরই চিন্তা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। নিজ ধর্ম অথবা বিশ্বাস পরিবর্তনের স্বাধীনতা এবং একাই অথবা
অপরের সহিত যোগসাজশে ও প্রকাশ্যে বা গোপনে নিজ বিশ্বাস শিক্ষাদান, প্রচার উপাসনা ও পারনের মাধ্যমে প্রকাশ করার
স্বাধীনতা এইঅধিকারের অন্তর্ভুক্ত।
ধারা-১৯
প্রত্যেকের মতামতের ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। বিনা হস্তক্ষেপে মতামত পোষণ এবং যে কোন উপায়াদির মাধ্যমেও
রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও মতামত সন্ধান, গ্রহণ ও জ্ঞাত করার স্বাধীনতা এটি অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।
ধারা-২০:
প্রত্যেকেরই শান্তিপূর্ণ সম্মিলিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
ধারা-২১:
প্রত্যেক্ষভাবে অথবা অবাধে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিজ দেশের সরকারে অংশগ্রহণের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে।
ধারা-২২
সমাজের সদস্য হিসেবে প্রত্যেকেরই সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে, প্রত্যেকেই জাতীয় প্রচেষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক
Call: 01712-001988
Tuesday 11,2025 04:11:10 AM
সহযোগীতার মাধ্যমে এবং রাষ্ট্রের সংগঠন ও সম্পদ অনুসারে তার মর্যাদার ও অবাধে ব্যক্তিত্ব বিকাশে অপরিহার্য অনৈতিক,
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারসমূহ আদায় করার জন্য স্বত্ববান।
ধারা-২৩:
প্রত্যেকেরই কাজ করার অবাধে চাকুরী নির্বাচনের কাজের জন্য ন্যায্য ও অনুকূল অবস্থা লাভের এবং বেকারত্ব থেকে রক্ষিত
হওয়ার অধিকার রয়েছে।
ধারা-২৪:
প্রত্যেকেরই বিশ্রাম অবসর বিনোদনের অধিকার রয়েছে। কাজের সময়ের যুক্তিসঙ্গত সীমা ও ওবতনসহ নৈমিত্তিক ছুটি ও
অধিকারের অন্তভর্,ক্ত। ধারা-২৫:
ক. নিজের ও নিজ পরিবারের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের নিমিত্তে পর্যাপ্ত জীবন মানের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সামাজিক সেবাসমূহ কার্যাদিও সুযোগ এবং বেকারত্ব, পীড়া, বার্ধক্য অথবা আনিবার্য কারণে
জীবনযাপনের অন্যান্য অপারগতার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এই অধিকারের অন্তর্ভক্ত।
খ. ব্যক্তিত্বেরপূর্ণ বিকাশ ও মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধীকারসমূহের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে শিক্ষা পরিচালিত
হবে। সমঝোতা ও সকল জাতি, বর্ণ ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে বন্ধুত্ব উন্নয়ন এবং শান্তি রক্ষার্থে জাতিসংঘের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি
করবে।
ধারা-২৬
ক.প্রত্যেকেরই শিক্ষা লাভের অধিকার রয়েছে। অন্ততপক্ষে প্রাথমিক ও মৌলিক পর্যায়ে শিক্ষা অবৈতনিক হবে। প্রাথমিক শিক্ষা
বাধ্যতামূলক হবে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সাধারণভাবে লভ্য থাকবে এবং উচ্চতর শিক্ষা মেধার ভিত্তিতে সকলের জন্য
সমভাবে উন্মুক্ত থাকবে।
খ. ব্যক্তিত্বেরপূর্ণবিকাশ ও মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধীকারসমূহের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দৃঢ় করার উদ্দেশ্য শিক্ষা পরিচালিত
হবে। সমঝোতা ও সকল জাতি, বর্ণ ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে বন্ধুত্ব উন্নয়ন এবং শান্তি রক্ষার্থে জাতিসংঘের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি
করবে।
গ. যে প্রকারশিক্ষা তাদের সন্তানদের দেওয়া হবে তা পূর্ব থেকে বেছে নেয়ার অধিকার পিতামাতার রয়েছে।
ধারা-২৭:
ক. প্রত্যেকেরই গোষ্ঠীগত সাংস্কৃতিক জীবনে অবাধে অংশগ্রহণ, শিল্পকলা চর্চা করা এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও তার
সুফলাসমূহের পূর্ণভাবে আদায় করা যেতে পারে।
খ. প্রত্যেকেরই বিজ্ঞান, সাহিত্য অথবা শিল্পকরাভিত্তিক সজনশীল কাজ থেকে উদ্‌ দ নৈতিক ও বৈষায়িক স্বার্থসমূহ রক্ষণের
অধিকার রয়েছে।
ধারা-২৮:
প্রত্যেকেরই এমন একটি সামাজিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য স্বত্ববান যেখানে এই ঘোষনাপত্রের উল্লিখিত অধিকার ও
স্বাধীকারসমূহ পূর্ণভাবে আদায় করা যেতে পারে।
ধারা-২৯:
ক. প্রত্যেকেইসমাজের প্রতি কর্তব্যাদি রয়েছে কেবল অন্তগত হয়েই তার ব্যক্তিত্বের অবাধ ও পূর্ণ বিকাশ সম্ভব।
খ. স্বীয় অধিকার ও স্বাধীনসমূহ প্রয়োগকালে প্রত্যেকেরই শুধু ঐ ধরনর সীমাবদ্ধতা থাকবে যা কেবল অপরে অধিকার ও
স্বাধীনসমূহের যথার্থ স্বীকৃত ও শ্রদ্ধা নিশ্চিত প্রয়োজনসমূহ মেটানোর উদ্দেশ্যে আইনের দ্বারা নিরূপিত হয়।
গ. এই সকল অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ কালে কোন ক্ষেত্রে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও মূলনীতি লংঘন করা চলবে না। ধারা-৩০:
এই ঘোষণায় উল্লিখিত কোন বিষয়কে এরূপভাবে ব্যাখ্যা করা চলবে না যাতে মনে হয় এই ঘোষনার অর্ন্তভ,ক্ত কোন অধিকার বা
স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে কোন রাষ্ট্র, দল বা ব্যক্তি বিশেষের আত্মনিয়োগের অধিকার রয়েছে।

 

Our Service

The main object of International Human Rights Crime Reporters Foundation (IHCRF) is to establish of Human Rights of the Citizen of Bangladesh. This organization is providing legal aid to the poor people. It will secure the operation of the legal system, and promotes access to Justice. It helps to develop the institutional facilities necessary for strengthening constitutional Governance, democracy, peace and rule of law for implementation of Human Rights. This organization is promoting study and research in order to work out a comprehensive strategy for implementation of Human Rights. This organization is giving legal aid through Human Rights protection units in the different Bar Associations as well as in different localities of the country. This organization is working for “How the Human Rights can be established in our country”. This organization is trying to promote an understanding and belief in the protection of human rights and in furtherance thereof to promote international understanding and co-operation in an universal respect for the observance of human rights and fundamental freedoms for all without distinction as to race, sex, language, religion and color. This organization specially takes up necessary steps in case of violation of Human Rights by state organ.

A man is born free. However, after his birth he has to establish or assert his own rights for his survival. This survival of human being against all odds of nature has led human being to make efforts to protect their human rights. Rights of human being are of many kinds, namely; his personal rights, legal rights, economical rights, social rights, political rights. All these rights are defined in different ways. Rights of different kinds as stated above relate to mankind and its civilization. Although such rights are inherent rights of a human being, yet why there is crying in the whole world to protect human rights?. If a man wants to protect his own right, why he will forget to protect the same for others. If everybody understands in the similar way, then it appears that such a cry to protect human rights would not have arisen in the world society. Throughout the world some groups are crying to protect their own rights but at the same time they are talking away other’s right for their own interest. Everybody will have the same and similar rights, because all human being are born with equal to live in this world.